মো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
ঈদের পরের দিন। প্রচন্ড রকমের ভীর আছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানায়। টিকিট কেটে ভীতরে যেতে হবে, তাই লম্বা একটা লাইন নারী, পুরুষের। সাথে নিয়ে এসেছেন, তাদের আদরের শিশুটি,। কেউ বা তার বাবার কোলে। আবার কেউ আছে তার মায়ের হাত ধরে। চিড়িয়াখানার গেটে, বসেছে অনেক ছোট, ছোট ভাম্রমান দোকান। বাদাম, চিপস, নানা রকমের বেলুন, চা এসব নিয়ে ব্যবসা করতে দেখা গেছে।
এবার ঢুকলাম চিড়িয়াখানার ভীতরে। অনেক সুন্দর একটা পরিবেশ। এ যেন শত শত মানুষের একটা মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে এই রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা। ঈদের ছুটিতে অনেক দুর দূরান্ত থেকে অনেক এসেছেন, স্ত্রী, সন্তানের সাথ নিয়ে একটু বিনোদনের জন্য। কথা হলো রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলা থেকে আসা একজন ছাত্রের সাথে। ঈদের ছুটি, তাই বেড়াতে এসেছে। চিড়িয়াখানার ভীতরে বড় পুকুরে রংগিন মাছ। একবার ভেসে উঠছে, আবার ডুব দিয়ে হারিয়ে যায়। দর্শনার্থীরা বাদাম দিচ্ছে মাছকে খাবার হিসেবে। বাচ্চাদের বেশ কয়েকটি রাইডার আছে চিড়িয়াখানার ভিতরে। সেগুলোতে টিকিট কেটে বিনোদনের জন্য তৈরি করা আছে। ছোট, ছোট খাবারের দোকান আছে ভিতরে। লেকের উপর দিয়ে ঝুলন্ত সেতু। আরও অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছেন দর্শনার্থীদের। একপাশে পিকনিক স্পষ্ট দেখতে পেলাম। এখানে পিকনিক করার ব্যবস্থা ও আছে। মোট কথা অনেক সুন্দর, মনোরম পরিবেশে আপনি যথেষ্ট নিরাপত্তার সাথে বেড়াতে পারেন এই রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানায়।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন